শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

কর্মহীন শ্রমিকদের জন্য সুরক্ষা কর্মসূচি এমআইএস

ওয়েবসাইটটি শুধুমাত্র সরকারি কর্মদিবসে সকাল ৯:০০–৫:০০ পর্যন্ত খোলা থাকে

Frequently Asked Question

প্রশ্ন ১: কোন ধরণের শ্রমিক এই কর্মসূচির ভাতা পাবেন?

এই কর্মসূচির ভাতা পাওয়ার জন্য শ্রমিককে নিচের তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে:

ক) কর্মহীন শ্রমিক সর্বশেষ যে কারখানায় কাজ করেছেন, তা নিচের কোন একটি শিল্প সংগঠনের সাথে নিবন্ধিত হতে হবে:

  • বিজিএমইএ (বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি)
  • বিকেএমইএ (বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন)
  • এলএফএমইএবি (বাংলাদেশ চামড়াজাত পণ্য এবং পাদুকা প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি)
  • বিএফএলএলএফইএ (বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস এন্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন
  • বিটিএ (বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন)
  • বিজেএমএ (বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন)
  • বিজেএ (বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশন)
  • বিএফএফইএ (বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন)
  • বিআরএসএমএস (বাংলাদেশ রেশম শিল্প মালিক সমিতি)

খ) নিচের যে কোন একটি কারণে শ্রমিককে চাকুরি হারাতে হবে:

  • কর্মক্ষেত্রে পেশাগত দুর্ঘটনাজনিত কারণে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েছেন অথবা শারীরিক অসুস্থতার কারণে কাজে যোগদানে অক্ষম;
  • বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (অদ্যাবধি সংশোধিত) এর ধারা- ৪৬ অনুযায়ী আর্থিক সুবিধাদি পাওয়ার শর্তের আওতাভুক্ত না হওয়ায় প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা বঞ্চিত এবং পুনরায় চাকরিতে বহালকৃত নন এরূপ মহিলা শ্রমিক;
  • কোনো রোগে আক্রান্ত এবং এর ফলে কাজ করতে অক্ষম;
  • সাময়িক চাকরি হারিয়েছেন এবং বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (অদ্যাবধি সংশোধিত) অনুযায়ী আইনানুগ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার শর্তের আওতাভুক্ত নন অর্থাৎ লে-অফকৃত বা ছাঁটাইকৃত শ্রমিক যাদের কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা বা পরিষেবা দেওয়ার সময়কাল একটানা বা নিরবচ্ছিন্ন এক বছরের বা ২৪০ দিনের কম হওয়ায় বা চাকরি আনুষ্ঠানিক চুক্তিভিত্তিক না হওয়ায় উক্ত আইনের ধারা- ২০ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাওয়ার শর্তের আওতাভুক্ত নন এবং যিনি কর্মহীন রয়েছেন
  • বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (অদ্যাবধি সংশোধিত) এর ধারা- ২০ অনুযায়ী ছাঁটাইকৃত বা ধারা- ১৬ (৭) অনুযায়ী লে-অফকৃত ও পরবর্তীতে ছাঁটাইকৃত এবং কর্মহীন রয়েছেন;
  • লে-অফকৃত শ্রমিক যারা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (অদ্যাবধি সংশোধিত) এর ধারা- ১৬ অনুযায়ী এক বা দুই মাসের ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন কিন্তু কর্মহীন রয়েছেন;
  • স্থায়ীভাবে কারখানা বন্ধের ফলে চাকরি হারিয়েছেন এবং কর্মহীন রয়েছেন।

গ) বর্তমানে কর্মহীন এবং কর্মহীন হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ০৬ মাস কোনো কারখানায় (কারখানার পে-রোল অনুযায়ী) কর্মরত ছিলেন

প্রশ্ন ২: কর্মহীন ভাতার পরিমাণ কত এবং কত মাস পাওয়া যাবে?
মাসিক ৫,০০০.০০ (পাঁচ হাজার টাকা) হিসেবে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত একজন কর্মহীন শ্রমিক ভাতা পাবেন।
প্রশ্ন ৩: কর্মহীন ভাতার জন্য কীভাবে আবেদন করতে হবে?
dol.finance.gov.bd ওয়েব সাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদনের বিস্তারিত প্রক্রিয়া টিউটোরিয়াল ভিডিও এবং ম্যানুয়ালে দেয়া আছে।
প্রশ্ন ৪: কর্মহীন ভাতার জন্য আবেদন করতে হলে কী কী ডকুমেন্টস ও তথ্য প্রয়োজন হয়?

ক) জাতীয় পরিচয় পত্র

খ) কারখানা প্রদত্ত আইডি কার্ড

গ) নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে খোলা ব্যাংক বা মোবাইল একাউন্ট

ঘ) চাকুরি হারানোর প্রমাণপত্র (ছাটাই পত্র, কারাখানা বন্ধের নোটিস ইত্যাদি যদি থাকে)

তাছাড়া নিচের তথ্যাদি এন্ট্রি করতে হবে:

ক) বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা

খ) সর্বশেষ কারখানার নাম, পদবী, যোগদানের তারিখ, চাকুরি হারানোর তারিখ, কারখানার আইডি নম্বর ইত্যাদি

প্রশ্ন ৫: আবেদন অনুমোদন হয়েছে কিনা কীভাবে জানা যাবে?
অনলাইনে আবেদন করার পর যে কোন সময়ে আবার লগইন করলে আবেদন এবং ভাতার টাকা প্রদানের সর্বশেষ পরিস্থিতি ড্যাসবোর্ডে দেখা যাবে।
প্রশ্ন ৬: নিবন্ধনের জন্য কি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার লাগবে?
হ্যাঁ, ইন্টারনেট সংযুক্ত স্মার্টফোন বা কম্পিউটার প্রয়োজন হবে।
প্রশ্ন ৭: নিবন্ধনের কি নিজে নিজেই করতে হবে নাকি অন্য কারো সাহায্য নেয়া যাবে?
নিজে নিজেই নিবন্ধন করা যাবে বা অন্য কারো সাহায্যেও করা যাবে। তবে নিবন্ধনকারীর নিজস্ব ফোন নম্বর ব্যবহার করতে হবে ।
প্রশ্ন ৮: ভাতার টাকা কীভাবে দেওয়া হবে?
ভাতার টাকা শ্রমিকের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো হবে। মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট অবশ্যই শ্রমিকের নিজের জাতীয় পরিচয় পত্রের বিপরীতে নিবন্ধিত হতে হবে।
প্রশ্ন ৯: একজন শ্রমিক কতবার এই ভাতার জন্য আবেদন করতে পারবেন?
একজন শ্রমিক মাত্র একবারই এই ভাতার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
প্রশ্ন ১০. নিবন্ধনে বা আবেদনে কোনো টাকা লাগে কি?
না। সরকারি স্ব-নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
প্রশ্ন ১১. সমস্যা হলে বা কোন তথ্য জানতে চাইলে কোথায় যোগাযোগ করা যাবে?
সমস্যা হলে নির্ধারিত হেল্পলাইন নম্বর (০১৮৪১-৪৮৯৮৬৯) বা শ্রম অধিদপ্তরের যে কোন অফিসে যোগাযোগ করা যাবে।
প্রশ্ন ১২. ভাতা পেতে কতদিন সময় লাগতে পারে?
নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন (জাতীয় পরিচয় পত্র, মোবাইল ব্যাংক নম্বর ভেরিফাইড হলে) এবং সরকার কর্তৃক যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ভাতা প্রদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে ।
প্রশ্ন ১৩. কোন অভিযোগ বা সমস্যা থাকলে কীভাবে জানানো যাবে?
মূল পাতার অভিযোগ লিংকে ক্লিক করে অভিযোগ জানানো যাবে। পরবর্তীতে অভিযোগ নিস্পত্তির হালনাহাদ অবস্থা উক্ত লিংক থেকে জানা যাবে।